৭৬ পেরিয়ে ৭৭ বছরে পা রাখলেন সাতক্ষীরার প্রবীণ সাংবাদিক, দৈনিক ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার ও দ্য এডিটরস এর সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুল ওয়াজেদ কচি।
বাংলা ১৩৫৮ সালের ১০ ভাদ্র তিনি নড়াইল জেলার কামালপ্রতাপ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তৎকালীন ইউনিয়ন কৃষি সহকারী (ইউ.এ.এ) মরহুম শেখ মিরাজ উদ্দিন ও গৃহিনী মরহুম কায়ামন নেছা দম্পতির আট ছেলে-মেয়ের মধ্যে সাংবাদিক কচি মেজ।
তিনি ১৯৭০ সালে কাশিপুর অম্বিকা চরণ হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন। ১৯৭১ সালে ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে নড়াইল জেলার (৮নং সেক্টর) কালিয়ায় মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশ নেন। তিনি গেরিলা ট্রেনিংপ্রাপ্ত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
১৯৭২ সালে ঢাকায় গিয়ে সেকেন্দার হায়াত মজুমদার সম্পাদিত সাপ্তাহিক ও পরবর্তীতে দৈনিক পূর্বাভাস পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগ দেন শেখ আব্দুল ওয়াজেদ কচি।
সাংবাদিক কচি দৈনিক পূর্বাভাস পত্রিকায় ‘অধম’ নামে সপ্তাহে চারদিন ‘ডোন্ট মাইন্ড’ শিরোনামে কলাম লিখতেন।
তৎকালীন দেশের চারটি পত্রিকা ছাড়া সব পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেলে তিনি গ্রামে ফিরে যান। পরে পত্রিকা প্রকাশের অনুমতি হলে নড়াইল থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক প্রান্তিক পত্রিকায় কিছুদিন কাজ করার পর যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক রানার পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগ দেন।
তিনি ঢাকায় থাকাকালীন দৈনিক আজাদ পত্রিকায় মাঝে মধ্যে কলাম লিখতেন এবং খুলনা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক গণবার্তার ঢাকা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।
১৯৭৮ সালে তিনি সাতক্ষীরায় আসেন এবং সাতক্ষীরা পৌরসভার রাজার বাগান এলাকায় জমি কিনে স্থায়ী হন ও তৎকালীন সময়ে সাতক্ষীরার একমাত্র পত্রিকা আব্দুল মোতালেব সম্পাদিত কাফেলায় (সাপ্তাহিক, পরবর্তীতে দৈনিক) যোগ দেন। কাফেলায় কর্মরত অবস্থায় তিনি যশোরের দৈনিক স্ফুলিংগ পত্রিকায় কিছুদিন কাজ করেছেন। এরপর তিনি ১৯৮৬ সালের ৪ জুন দৈনিক ইনকিলাব বাজারে আসলে সাতক্ষীরা জেলা সংবাদদাতা হিসেবে যোগ দেন এবং অদ্যাবধি তিনি দৈনিক ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি আব্দুল মোতালেব সম্পাদিত দৈনিক কাফেলায় টানা প্রায় ১৭ বছর কর্মরত ছিলেন। পরে কিছুদিন সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক যুগের বার্তায় কাজ করেছেন।








