সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লাইটহাউস মডেল একাডেমি-তে পবিত্র কোরআনের হিফয বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। গত ১৮ মে (রবিবার) বিকেল চারটায় একাডেমির নিজস্ব ক্যাম্পাসে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে হিফয বিভাগের শুভ উদ্বোধন করেন ঝাউডাঙ্গা সিনিয়র মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ মসজিদ মিশনের সাতক্ষীরা জেলার সভাপতি প্রখ্যাত আলেম মাওলানা আব্দুল বারী। এ অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অর্থোপেডিক কনসালটেন্ট ডা. মোঃ ইসমাইল হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আইয়ুব আলী, ১ নম্বর জয়নগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও কলারোয়া মডেল হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা কামরুজ্জামান, ৩ নম্বর কয়লা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ আব্দুর রকিব মোল্লা, বেগম খালেদা জিয়া কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ তামিম আজাদ মেরিন, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা শহিদুল ইসলাম, কলারোয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রচার সম্পাদক ফারুক হোসেন রাজ ও অভিভাবক প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পবিত্র কোরআনকে হৃদয়ে ধারণ করা ও এর আলোকে জীবন পরিচালনার অন্যতম মাধ্যম হলো হিফয শিক্ষা। লাইটহাউস মডেল একাডেমির এই উদ্যোগ আগামী প্রজন্মকে নৈতিকতা ও ধর্মীয় শিক্ষায় উজ্জীবিত করবে।
প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোঃ শামসুল আলম বুলবুল জানান, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে একাডেমির শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ৮৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে। বর্তমানে প্লে গ্রুপ থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান চলছে। হিফয বিভাগ চালুর মাধ্যমে একাডেমির শিক্ষা কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হলো। হিফয বিভাগে প্রথম পর্যায়ে ১৭ জন শিক্ষার্থী নেয়া হবে। তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন প্রতিষ্ঠানটির অগ্রগতির জন্য। প্রতিষ্ঠানেই মনোরম পরিবেশে শিক্ষার্থীদের আবাসিক ভাবে থাকার সু-ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য শিক্ষকদের একটি টিম রয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।







