সাতক্ষীরা পৌরসভার কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সেবার মান, কার্যকারিতা, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং নাগরিক সন্তুষ্টির চিত্র মূল্যায়নের লক্ষ্যে ‘সিটিজেন্স রিপোর্ট কার্ড’ কার্যক্রম বাস্তবায়ন উপলক্ষে এক অবহিতকরণ ও প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা পৌরসভার সভাকক্ষে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), সাতক্ষীরার উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
‘বাংলাদেশে জলবায়ু সুবিচারের লক্ষ্যে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শুদ্ধাচার বিকাশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো নাগরিকদের মতামত ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করা। পাশাপাশি সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়ন করা।
সভায় জানানো হয়, কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে পাঁচজন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে তারা আগামী তিন মাস সাতক্ষীরা পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও নাগরিক মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
সনাক সাতক্ষীরার সভাপতি তৈয়েব হাসান সামছুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আখতারুজ্জামান তালুকদার এবং সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সনাকের পরিবেশ বিষয়ক আহ্বায়ক আবুল বাশার পল্টু, প্রফেসর আব্দুল হামিদ, হেনবী সরদার, মনিরুজ্জামান মুন্নাসহ টিআইবি ও পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকর্তা। সভায় সুন্দরবন ফাউন্ডেশন, সিডো, ফিনিশ মনডিয়া, সাতক্ষীরা বিডি ক্লিন, ভিবিডি সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা শাখা, স্বদেশ, টিআইবি’র এসএজি ও ইয়েস সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।
তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান এ কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
সমাপনী বক্তব্যে সনাক সভাপতি তৈয়েব হাসান সামছুজ্জামান বলেন, “সাতক্ষীরা পৌরসভাকে একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই। ‘সিটিজেন্স রিপোর্ট কার্ড’ কার্যক্রমের মাধ্যমে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ মতামত উঠে আসবে। এর মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে সেবার মান উন্নয়নে পৌর কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবে। সকলের সহযোগিতায় এ উদ্যোগ সফল হবে বলে আমরা আশাবাদী।”







