সাতক্ষীরায় সুপেয় পানির সংকট নিরসন ও উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দের দাবি

প্রকাশিত: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ণ
ডেস্ক রিপোর্ট

সুপেয় পানির সংকট নিরসন, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, জলাবদ্ধতা দূর করা এবং নদী-খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে জাতীয় বাজেটে সাতক্ষীরার জন্য বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাঁরা বলেছেন, সাতক্ষীরা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও উপকূলীয় এ জেলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ পানির সংকট, লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড় ও জলাবদ্ধতার মতো সমস্যায় ভুগছেন। শুধু বরাদ্দ দিলেই হবে না, প্রকল্পের অর্থের যথাযথ ব্যবহার, কাজের মান ও জবাবদিহিও নিশ্চিত করতে হবে।

গত বুধবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের হলরুমে প্রথম আলো ও একশনএইড বাংলাদেশের সুশীল প্রকল্পের উদ্যোগে ‘জাতীয় বাজেটে নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা অন্তর্ভুক্তিকরণ’ শীর্ষক গোলটেবিল সংলাপে এসব দাবি জানানো হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় আয়োজিত সংলাপে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা তাঁদের প্রত্যাশা ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

সুপেয় পানির স্থায়ী সমাধানের দাবি

সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকার নিরাপদ পানির সংকটের কথা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, বিশেষ করে শ্যামনগর ও আশাশুনির উপকূলীয় অঞ্চলে গভীর নলকূপ স্থাপন করেও অনেক স্থানে সুপেয় পানি পাওয়া কঠিন। অনেক পরিবারকে পানি কিনে খেতে হয়, আবার সামর্থ্য না থাকায় অনেকে নিরাপদ পানি থেকে বঞ্চিত হন। এ সংকট সমাধানে স্থানীয় ভূপ্রকৃতি ও পানির গুণগত মান বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু বলেন, সরকারি পুকুর ইজারা বন্ধ করে সেগুলো সুপেয় পানি সংরক্ষণ ও সরবরাহের উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে একটি বা দুটি পুকুর দিয়ে বিপুল জনগোষ্ঠীর পানির চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়। পর্যায়ক্রমে জমি অধিগ্রহণ করে পুকুর খনন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং সুলভ মূল্যে গভীর নলকূপ সরবরাহের উদ্যোগ নিতে হবে।

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, কালীগঞ্জে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি পানি সরবরাহ প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষ পানি পাচ্ছেন। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উপযুক্ত প্রযুক্তির সমন্বয়ে টেকসই পানি সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার।

সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক আহসান রাজিবও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণসহ নিরাপদ পানির স্থায়ী উৎস তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন। নারী অন্ত্যজ পরিষদের সুমা সরকার বলেন, নিরাপদ পানির অভাবে নারীদের বাড়তি ভোগান্তি পোহাতে হয়। লবণাক্ত পানি ব্যবহারে স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ে। তাই নিরাপদ পানি সরবরাহের পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন।

সাতক্ষীরার নলতা আহছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষিকা মোমেনা খানম বলেন, একসময় অনেক পরিবার পৌরসভার সরবরাহ করা পানি পেত। এখন অনেক পরিবারকে নিজেরাই পানির ব্যবস্থা করতে হয়; কেউ ফিল্টার ব্যবহার করেন, কেউ পানি কিনে খান। যাঁদের সামর্থ্য নেই, তাঁদের দুর্ভোগ বেশি। প্রতিটি পরিবারের জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব।

জলাবদ্ধতা দূর করতে নদী-খাল খনন ও টেকসই বাঁধ

বক্তারা বলেন, নদী-খালের নাব্যতা কমে যাওয়া, খাল দখল ও ভরাট, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং চিংড়িঘেরের পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে নদী-খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা, পানি নিষ্কাশনের পথ সচল করা এবং টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে বিশেষ বরাদ্দ প্রয়োজন।

শ্যামনগরের আতরজান মহিলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, নদীর নাব্যতা হ্রাস, জলাবদ্ধতা ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকির কারণে সাতক্ষীরার উন্নয়ন চাহিদা দেশের অন্য এলাকার চেয়ে আলাদা। তাই জনসংখ্যার ভিত্তিতে বরাদ্দ দেওয়ার পাশাপাশি জেলার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও দুর্যোগের ঝুঁকি বিবেচনায় নিতে হবে। ইছামতী নদীর পানি নির্দিষ্ট পথে প্রবাহিত করার ব্যবস্থা এবং নদী-খালের সংযোগ ও স্বাভাবিক প্রবাহের পথ বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু বলেন, প্রতিবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগে শ্যামনগরসহ উপকূলীয় এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। শ্যামনগর ও আশাশুনির বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিতে হবে।

জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, অপরিকল্পিত চিংড়িঘেরের কারণে কৃষিজমিতে লবণাক্ত পানি ঢুকছে। ঘেরের পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করার পাশাপাশি দখল হওয়া খাল উদ্ধার ও খনন এবং শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত বলেন, সাতক্ষীরায় ২২ থেকে ২৩ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত হয় এবং ২৫ থেকে ৩০ হাজার কৃষক কর্মহীন হয়ে পড়েন। জলাবদ্ধতা নিরসনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সুনির্দিষ্ট ও টেকসই পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভূমিহীন হয়ে পড়া মানুষের জন্য আবাসন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করতে হবে।

কর্মসংস্থান, কৃষি ও উপকূলীয় অর্থনীতিতে গুরুত্ব

বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরার মৎস্য, কৃষি, চিংড়ি, কাঁকড়া, ফল, মধু ও সুন্দরবনকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে জাতীয় বাজেটে বিশেষ উদ্যোগ প্রয়োজন। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কৃষি ও মৎস্যপণ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বাজারজাতের অবকাঠামো গড়ে তোলা গেলে কর্মসংস্থান বাড়বে।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল বারী বলেন, মৎস্য, কৃষি, আম-কুল, দুধ, মধু, ভোমরা স্থলবন্দর ও সুন্দরবনের মাধ্যমে সাতক্ষীরা জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। কিন্তু জেলার উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও তদারকিতে ঘাটতি রয়েছে। উপকূলীয় দুর্যোগ মোকাবিলাসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দের অর্থ কোথায় ও কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, তা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানান তিনি।

কাজিরহাট ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মো. ইদ্রিস আলী বলেন, সাতক্ষীরায় শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রতিটি উপজেলায় কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্প নেওয়া দরকার। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সুন্দরবন টেক্সটাইল মিল চালু করা গেলে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হতে পারে। সাতক্ষীরায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নদী-খাল খনন ও বেড়িবাঁধের কাজে অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু বলেন, সাতক্ষীরায় চিংড়ি, কুল, মাছ ও সবজি উৎপাদিত হলেও সড়কপথে পণ্য পরিবহনে ব্যয় বেশি। রেললাইন নির্মিত হলে কম খরচে পণ্য পরিবহন সম্ভব হবে। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মাছ, ফল ও কৃষিপণ্য সংরক্ষণে হিমাগার এবং শিল্পকারখানা গড়ে তোলা প্রয়োজন। সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের বিকাশেরও সুযোগ রয়েছে।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও কণ্ঠশিল্পী আবু আফ্সান রোজবাবু বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন, দেশি বীজ সংরক্ষণ, লবণাক্ততাসহিষ্ণু গাছের চারা রোপণ এবং কাঁকড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। দেশি বীজ সংরক্ষণ ও চাষে উৎসাহ দেওয়া হলে কৃষকেরা উপকৃত হবেন। সাতক্ষীরায় কাঁকড়া সংরক্ষণ ও হিমায়িত করার কারখানা স্থাপনেরও দাবি জানান তিনি।

নারীর নিরাপত্তা, সামাজিক সুরক্ষা ও সাংস্কৃতিক অবকাঠামো

জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার বলেন, সাতক্ষীরায় ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচিতে বর্তমানে ২০ হাজার ৯১১ জন নারী সুবিধা পাচ্ছেন। এ সংখ্যা দ্বিগুণ করা গেলে আরও বেশি নারীকে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় আনা সম্ভব হবে। দুর্যোগকবলিত, নির্যাতনের শিকার ও বিপদগ্রস্ত নারীদের জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন এবং নারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা বাড়ানোর দাবিও জানান তিনি। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ ভাতা আগে ১০০ টাকা থাকলেও গত বছর তা কমে ৫০ টাকায় নেমেছে।

নাজমুন নাহার বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সক্ষমতা বাড়ানো, প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করা এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা প্রয়োজন। পর্যটন খাতের উন্নয়ন করা গেলে নারীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হতে পারে।

স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত বলেন, কৃষিতে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও ভূমির মালিকানা ও খাসজমি পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরা পিছিয়ে রয়েছেন। প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টন এবং নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। সাতক্ষীরার কৃষি, চিংড়ি ও কাঁকড়াচাষের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নেরও আহ্বান জানান তিনি।

জেলা কালচারাল অফিসার ফাইজা হোসেন অন্বেষা বলেন, সাতক্ষীরার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মাণ করা প্রয়োজন। তালা উপজেলা ছাড়া অন্য উপজেলাগুলোতে এ ধরনের অবকাঠামো নেই। জেলা শিল্পকলা একাডেমির ভবনটিও দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ। সংস্কৃতি খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে স্থানীয় প্রতিভা বিকাশ ও সাংস্কৃতিক চর্চার সুযোগ বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।

শিক্ষা, যোগাযোগ ও উন্নয়ন প্রকল্পে জবাবদিহি

সাতক্ষীরা জেলা সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল বলেন, সাতক্ষীরায় সাতটি উপজেলা ও তিনটি পৌরসভা রয়েছে। ভোমরা স্থলবন্দর, সুন্দরবন ও মৎস্য খাত থেকে সরকার উল্লেখযোগ্য রাজস্ব পেলেও জেলার অবকাঠামো ও জনসেবার উন্নয়নে আরও বরাদ্দ প্রয়োজন। জেলার প্রায় দেড় হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ২৫০টির নিজস্ব ভবন নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শহরের যানজট কমাতে কার্যকর বাইপাস এবং ভোমরা স্থলবন্দর থেকে বিভিন্ন উপজেলা ও সুন্দরবনমুখী পণ্যবাহী যান চলাচলের উপযোগী সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব দেন তিনি।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি কমরেড মো. আবুল হোসেন বলেন, জেলার সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং রেললাইন স্থাপনের উদ্যোগ নিতে হবে। সুপেয় পানির সংকটের পাশাপাশি নদী-খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বাজেটে বরাদ্দ রেখে যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাঁর অভিযোগ, হাজার হাজার বিঘা খাসজমি প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে। এসব জমি উদ্ধার করে প্রকৃত ভূমিহীনদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন সাংস্কৃতিক কর্মী চৈতালী মুখার্জি, সিডিওডব্লিউর শ্যামল কুমার বিশ্বাস, অন্ত্যজ পরিষদের সরস্বতী দাস ও পল্লীচেতনার আমিনুর রহমানসহ অন্যরা। সূচনা বক্তব্য দেন একশনএইড বাংলাদেশের সুশীল প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মৌসুমী বিশ্বাস, ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন ‘সমষ্টি’র গবেষণা পরিচালক রেজাউল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম আলোর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ইমতিয়াজ উদ্দীন। সংলাপ সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক ফিরোজ চৌধুরী।

বিজ্ঞাপন