‘যুগ আসে যুগ যায়, কিন্তু সমাজে কিছু মিরজাফর থেকে যায়’ এমন মন্তব্য করেছেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মো. মনিরুজ্জামান। তিনি বলেছেন, সদ্য সমাপ্ত সংসদ নির্বাচনের মতো আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও ‘মিরজাফররা’ যাতে সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সকল ভেদাভেদ ভুলে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী এবং দলকে সুসংগঠিত করতে বিএনপির নিবেদিতপ্রাণ প্রতিটি কর্মী-সমর্থককে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শ্যামনগর পৌর সদরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. মনিরুজ্জামান এসব কথা বলেন। শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সোলায়মান কবীর। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আশেক-ই-এলাহী মুন্না।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ডাকসুর সাবেক নেতা ও শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক আবু সাঈদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম, কেন্দ্রীয় কৃষকদল নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খান আব্দুস সালাম, পদ্মপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলাম, আব্দুস শহীদ, আবুল কালাম মোড়ল এবং সাবেক চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান সাদেম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. মনিরুজ্জামান আরও বলেন, সম্প্রতি কেন্দ্র থেকে শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির জন্য আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে। বিএনপির চেয়ারম্যানের নির্দেশনা মেনেই ওই কমিটি দেওয়া হলেও ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিরোধিতাকারী ‘মিরজাফররা’ কমিটির বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি নানাভাবে দলীয় নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, এসব ‘মিরজাফর’ সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
এ ছাড়া সংসদের প্রধান বিরোধী দলের মনোযোগ আকর্ষণ করে তরুণ এই নেতা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীর কারণে শ্যামনগরবাসীসহ জাতীয় সংসদ লজ্জিত হয়েছে। তাকে সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ করার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারলে শ্যামনগরের উন্নয়নে সরকারি ও বিরোধী দল একযোগে কাজ করতে বদ্ধপরিকর।







