কলারোয়ায় পুষ্টিসমৃদ্ধ বিদেশি ফল প্যাশন ফ্রুট চাষে সাফল্য

প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
খাঁন নাজমুচ সাহাদাত

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পুষ্টিসমৃদ্ধ ও উচ্চমূল্যের বিদেশি ফল ‘প্যাশন ফ্রুট’ চাষ করে সাফল্যের সম্ভাবনা দেখাচ্ছেন কৃষক মো. গফফার হোসেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্ট (এসএসিপি-রেইনস)-এর আওতায় এবং কলারোয়া উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় তিনি এ বাগান গড়ে তুলেছেন।

উপজেলার কেরালকাটা ইউনিয়নের ইলিশপুর গ্রামে গড়ে ওঠা প্যাশন ফ্রুটের এ প্রদর্শনী বাগানটি ইতোমধ্যে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। ফলটির পুষ্টিগুণ, চাহিদা ও সম্ভাব্য বাজারমূল্য দেখে অনেকেই ভবিষ্যতে নিজেদের জমিতে এর চাষ করার কথা ভাবছেন।

কৃষক গফফার হোসেন বলেন, “প্যাশন ফ্রুট অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। ফলটি কেটে ভেতরের রসালো অংশ খাওয়া হয়। এর টক-মিষ্টি স্বাদ বেশ আকর্ষণীয়। স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে ভালো লাভের আশা করছি।”

বাগান দেখতে আসা স্থানীয় কৃষক ও দর্শনার্থীরা জানান, এলাকায় এর আগে এ ধরনের বিদেশি ফলের চাষ খুব একটা দেখা যায়নি। বাগানে ফল ধরতে দেখে তারা আগ্রহী হয়েছেন। অনেকে নিজেদের জমিতে প্যাশন ফ্রুট চাষের পরিকল্পনাও করছেন।

কলারোয়া উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক বলেন, “প্যাশন ফ্রুট পুষ্টিগুণসম্পন্ন একটি ফল। এতে ভিটামিন-সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। কলারোয়ার মাটি ও জলবায়ু এ ফল চাষের জন্য উপযোগী। এসএসিপি-রেইনস প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের উচ্চমূল্যের ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ফল চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।”

কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় এ ধরনের অপ্রচলিত ও সম্ভাবনাময় ফলের চাষ সম্প্রসারিত হলে কৃষিতে বৈচিত্র্য আসার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিজ্ঞাপন