ডেস্ক রিপোর্ট ১৫ অক্টোবর ২০২৫ , ৪:৩৫:৫২ অনলাইন সংস্করণ
“যুব নেতৃত্বে সামাজিক সংহতি, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও জরুরি সাড়াদান” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা ইয়ুথ হাবে দুই দিনব্যাপী ‘যুব নেতৃত্বে মানবিক প্রতিক্রিয়া বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৯টায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিডো সাতক্ষীরার আয়োজনে এবং একশনএইড বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. তহিদুজ্জামান তহিদ।
প্রশিক্ষণে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি, বকচররাজপুর ইউনিয়ন ও পৌরসভা এবং তালা উপজেলার ধানদিয়া ও নগরঘাটা ইউনিয়ন থেকে মোট ২৫ জন তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি দুই দিনব্যাপী চলবে। এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলোযুব নেতৃত্বাধীন মানবিক প্রতিক্রিয়া, জরুরি প্রস্তুতি এবং কমিউনিটির স্থিতিস্থাপকতা বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা ৩-৪টি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবেন, যা পরবর্তীতে বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য প্রশিক্ষিত তরুণদের নিয়ে একটি জরুরি সাড়াদান দল গঠন করা হবে।
প্রশিক্ষণের আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ও প্রত্যাশা, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্দেশনা, সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠা, বাংলাদেশের ইতিহাসে সামাজিক সম্প্রীতির ধারা, সহনশীলতা ও অসহনশীলতা, স্থানীয় অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রবেম ট্রি ও পাওয়ার ম্যাপিং টুলস ব্যবহার, বৈষম্য ও লিঙ্গসমতা, ধর্মীয় ও সামাজিক বিভাজন, ইতিহাসের শান্তিদূত ও যুব শান্তিনির্মাতাদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প (মহাত্মা গান্ধী, মার্টিন লুথার কিং, মালালা ইউসুফজাই, গ্রেটা থানবার্গ প্রমুখ), সামাজিক উন্নয়ন ও এসডিজি অর্জনে যুবদের ভূমিকা ইত্যাদি।
এছাড়া একশনএইডের হিউম্যান রাইটস বেইজড অ্যাপ্রোচ, জরুরি প্রতিক্রিয়ার ধাপ ও দায়িত্ব, ক্ষতিগ্রস্ত কমিউনিটির প্রতি জবাবদিহিতা, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে যুব সম্পৃক্ততা, শান্তি ও দুর্যোগ মোকাবেলায় যুবদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়।
প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন আরাফাত হোসেন, নুরজাহান খাতুন ও তৌফিক, সহায়ক হিসেবে ছিলেন সাকিব হাসান।
উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. তহিদুজ্জামান (তহিদ), একশনএইড বাংলাদেশের ইনস্পিরিটর সুইট খান, ফাইন্যান্স অফিসার চন্দন কুমার বৈদ্য, ইয়ুথ পিয়ার গ্রুপ ফ্যাসিলিটেটর শাওন প্রমুখ।
দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় তরুণরা সামাজিক সংহতি, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও জরুরি প্রতিক্রিয়ায় মানবিক উদ্যোগ গ্রহণে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

















