ডেস্ক রিপোর্ট ২৬ এপ্রিল ২০২৬ , ৩:৪৩:০৯ অনলাইন সংস্করণ
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের হাওয়ালভাঙি গ্রামে লবণাক্ত পতিত জমিতে ডিবলিং পদ্ধতিতে পরীক্ষামূলকভাবে ভুট্টা ও লবণসহনশীল জাতের ধান চাষে সফলতা পেয়েছেন স্থানীয় কৃষক শিলা রাণী ও রুহুল আমিন। মাটিতে ১০ মাত্রার লবণাক্ততা সম্পন্ন প্রায় ৩ একর জমিতে তারা ভুট্টার পাশাপাশি বিনাধান-১০ ও ব্রিধান-৯৯ জাতের ধান চাষ করে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ এলাকার কয়েক হাজার বিঘা জমি আমন মৌসুমের পর দীর্ঘদিন পতিত পড়ে থাকত। মূলত মিঠা পানির কোনো উৎস না থাকায় এসব জমিতে ফসল উৎপাদন সম্ভব হতো না। তবে লবণসহনশীল ফসল চাষের মাধ্যমে সেই চিত্র বদলাতে শুরু করেছে।
এই সাফল্যকে কেন্দ্র করে শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে হাওয়ালভাঙি গ্রামে একটি মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)-এর সিএসও ও পার্টনার প্রোগ্রামের ফোকাল পয়েন্ট ড. মোঃ হারুনুর রশীদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম, পার্টনার প্রোগ্রামের পিএসও ও ওয়ার্কিং সায়েন্টিস্ট ড. মোঃ জামাল উদ্দীন এবং শ্যামনগর উপজেলা কৃষি অফিসার ওয়ালিউল ইসলাম।
বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মিলন কবিরের সঞ্চালনায় এবং বিনা উপকেন্দ্র সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ কামরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে মাঠ দিবসে বক্তারা বলেন, লবণসহনশীল ফসলের চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। এটি কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ কার্যক্রমটি পার্টনার প্রোগ্রাম, বিএআরসি’র অর্থায়নে এবং বিনা উপকেন্দ্র, সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে পরিচালিত হচ্ছে। এতে সহযোগিতা করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।

















