শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে গত ৩ মে সংবাদ সম্মেলনে কান্না জড়িত কন্ঠে লিখিত বক্তব্য উপজেলা চন্ডিপুর গ্রামের মৃত নওশের আলী গাজীর পুত্র রেজাউল ইসলাম বলেন, আমার আয়ের শেষ সম্বল মাইক্রো গাড়িটি বিক্রি করে কুয়েতে অবস্থানকারী একই গ্রামের মৃত ইন্তাজালী ফকিরের পুত্র কালাম হোসেন ফকির এর কথামতো তার স্ত্রী রওশনারা (বাংলাদেশে বসবাসকারী) নিকট ৪ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা প্রদান করে গত ৩১ এপ্রিল কুয়েতে যাই। কিন্তু যাওয়ার পর সে আমাকে একটি দালালের হাতে তুলে দেয়। দালাল আমাকে আকামা সহ কাজকর্ম না দিয়ে আমার নিকট আরো ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। আমার বাড়ি থেকে টাকাআর না দেওয়ায় তারা আমাকে প্রায় সময় মারপিট করত এবং ঠিকমতো খাইতেও দিত না। পরিশেষে অত্যাচার সহ্য না করতে পেরে তাদের শিখানো কথা আমি কুয়েতে থাকবো না দেশে ফিরে আসবো এমন কথা ভিডিও করে আমাকে দেশে পাঠিয়ে দেয়। যাতে আমি আর কোন টাকা দাবি করতে না পারি। পরবর্তীতে গত ২৮ এপ্রিল ২০২৫ আমাকে দেশে পাঠায়। আমার আয়ের একমাত্র শেষ সম্বল টুকু গুছাইয়া বর্তমানে আমি অনাহারে আধাহারে জীবন যাপন করছে। আমার আয়ের শেষ সম্বল বিক্রি করা টাকাগুলো ফেরত পেতে পারি তার জন্য আপনাদের লিখনের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।a
বিদেশে অবস্থান কালে বর্বরসিত ঘটনা দেশে এসে প্রকাশ করলেন শ্যামনগরে রেজাউল ইসলাম
প্রকাশিত: ০৩ মে ২০২৫, ০৭:০৪ অপরাহ্ণ
HridoyBarta







