সাতক্ষীরা

বারসিকের কাজ প্রশংসনীয়, দৃশ্যমান কার্যক্রম হলে আরও ফলপ্রসূ হতো : ইউএনও রনী খাতুন

  এম কামরুজ্জামান, শ্যামনগর ব্যুরো ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ৩:১২:৩২ অনলাইন সংস্করণ

জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশগত অবক্ষয় ও মানবাধিকার সুরক্ষায় চার বছর মেয়াদি ‘এনগেজ’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ২০ হাজার প্রান্তিক নারী-পুরুষ, যুব, প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ উপকৃত হবেন।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ রনী খাতুন।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ জিয়াউর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস. এম. দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিরাজ হোসাইন, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আমজাদ হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আহসান হাবিব, উপজেলা এনজিও সমন্বয়কারী গাজী আল ইমরান এবং বারসিক আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার। এছাড়া স্থানীয় প্রেসক্লাব, অনলাইন নিউজ ক্লাব, রিপোর্টার্স ক্লাবসহ বিভিন্ন সুশীল সমাজ সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বারসিকের এনগেজ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

সভায় বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং প্রকল্প সমন্বয়কারী মাহাবুবুর রহমান পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বারসিকের কাজ সবসময় প্রশংসনীয়। এ প্রকল্পে দৃশ্যমান কিছু কার্যক্রম যুক্ত হলে জনগণ সরাসরি উপকৃত হতো। তবে আগে থেকেই সংক্ষিপ্ত নোট প্রদান করায় আলোচনা অনেক সহজ হয়েছে।”

প্রকল্প সমন্বয়কারী মাহবুবুর রহমান জানান, ‘এনগেজ’ প্রকল্পটি খুলনার পাইকগাছা ও কয়রা এবং সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার মোট ২৪টি ইউনিয়নে বাস্তবায়িত হবে। এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক জনগণ, বিশেষ করে নারীরা, দুর্যোগ মোকাবিলা, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ, জীবনমান উন্নয়ন ও ঝুঁকি প্রশমনে সহায়তা পাবেন।

এ প্রকল্প নাগরিক সমাজ, যুব সম্প্রদায় ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে সরকারি-বেসরকারি সেবাপ্রাপ্তি সহজ করবে এবং যৌথভাবে গবেষণা, এ্যাডভোকেসি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, এই প্রকল্প জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

আরও খবর