তালা

তালার তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ

  তালা প্রতিনিধি ২৭ মে ২০২৫ , ৩:৪০:২৬ অনলাইন সংস্করণ

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে গরীব অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় ১০ কেজি করে চাল বিতরণ সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ১১৬০ টি পরিবারের মধ্যে এই চাল বিতরণ করা হয়।
মঙ্গলবার (২৭ মে) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এই চাল বিতরণ উদ্বোধন করেন, তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম এম আবুল কালাম আজাদ।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, ইউপি সদস্য মোহাম্মাদ আলী, আমিনুর রহমান, মনিরুজ্জামান মনু, দেলোয়ার হোসেন সোনা, আলাউদ্দীন সরদার, কামরুজ্জামান, শংকর দাশ, মশিয়ার রহমান, জাকিয়া সুলতানা ইতি, রেশমা বেগম ও রেবেকা বেগম নিজ নিজ ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশদের সাথে নিয়ে চাল বিতরণ করছেন।
এসময় তারা বলেন, চেয়ারম্যান সাহেবের নির্দেশে আমরা প্রকৃত হতদরিদ্রদের তালিকা প্রণয়ন করে চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে জমা দিয়েছি। এই তালিকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাশ হয়ে আসলে আমরা নিজ নিজ ওয়ার্ডে প্রতিটি পরিবারের নামে তালিকায় ক্রমঃ অনুযায়ী ¯িøপ তৈরী করে প্রত্যেকের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছি। সেই অনুযায়ী আজ চাল বিতরণ করা হচ্ছে। পূর্ব থেকে প্রস্তুতির কারণে কোন ঝামেলা ছাড়াই চাল বিতরণ করতে পারছি। এতে সময়ও কম লাগছে জনগণের ও ভোগান্তি কম হচ্ছে।
লাঊতাড়া গ্রামের ছবিজান, ধলবাড়িয়া গ্রামের মনোয়ারা, পাঁচরোখী গ্রামের আরজা ও লক্ষণপুর গ্রামের মরিয়ম বলেন, গতকাল রাতে ঈদের চালের স্লিপ আমাদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে। সেই স্লিপ নিয়ে আজ চাল নিয়ে যাচ্ছি। আগে থেকে স্লিপ দেয়ার কারণে আমাদের লাইন দিয়ে দাঁড়াতে হচ্ছে না। খুব বেশী সময়ও নষ্ট হচ্ছে না।
তেঁতুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমার পরিষদে কাজ গুলো সহজে ও কম সময়ে শেষ করার জন্য পূর্ব প্রস্তুতি থাকে। চেষ্টা করি জনগণ যে কোনো প্রকার ভোগান্তির শিকার না হয়। পরিষদের সকল সদস্য ও গ্রাম পুলিশ খুবই দায়িত্বশীল। কোনো কাজ আগামী দিনের জন্য ফেলে রাখা হয় না। আজ ভিজিএফ প্রকল্পের আওতায় ১১৬০ পরিবারের মধ্যে ১০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়েছে। এর আগে ১৯৬ টি পরিবারের মধ্যে বিগত ৫ মাসের বরাদ্দ বাবদ ৫ বস্তা করে চাল বিতরণ করা শেষ করেছি। আমরা সবসময় চেষ্টা করি জনগণের ভোগান্তি কমানোর জন্য।
তিনি বলেন, জনগণের ভোগান্তি কমানোর জন্য সরকারী ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে বিকাল পর্যন্ত অফিসে থাকি। কোনো দিন গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হয়। যে প্রত্যাশা নিয়ে জনগণ আমাকে নির্বাচিত করেছেন তাদের সেই প্রত্যাশা পূরণে সর্বদা কাজ করার চেষ্টা করি।

আরও খবর