ডেস্ক রিপোর্ট ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৩:২৫:৪৮ অনলাইন সংস্করণ
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বেতনা নদী খনন কাজে সরকারি কার্যক্রমে বাধা, অবৈধ বালু উত্তোলন এবং পুলিশ ক্যাম্পে আসামী ছিনতাইয়ের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার আরও এক জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ।
সাতক্ষীরা সদর থানার (ওসি) মুহাঃ মাসুদুর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যেমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, সাতক্ষীরা সদর থানাধীন নেহালপুর পোল্ডার নং-২ ও ৬-৮ এর বেতনা নদীর খনন কাজ চলাকালে কিছু ব্যক্তি হাজীখালী গেট থেকে শালিখাডাঙ্গা পর্যন্ত নদীর দুই তীরের বালু ও মাটি অবৈধভাবে সংগ্রহ করছিল। এ ঘটনা জানার পর বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ লিয়াকত আলী ঘটনাস্থলে গেলে তাকে আসামীরা হুমকি-ধামকি প্রদান করে। পরবর্তীতে বিষয়টি থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হলে ২৪ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্পের অফিসার ফোর্স ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে একটি মাটি বোঝাই ট্রলি এবং ১ নং আসামী কেসমত আলীকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসে।
তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই অন্যান্য আসামীরা সংগঠিত হয়ে পুলিশ ক্যাম্পে আটক ট্রলি ও আসামী কেসমত আলীকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল, বিপিএম এর নির্দেশনায় সরকারি কাজে বাধা ও আসামী ছিনতাইয়ের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত এবং আসামী গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে ২৮ ডিসেম্বর ভোররাতে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাসুদুর রহমান, পিপিএম এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ সাইদুল ইসলামসহ সঙ্গীয় ফোর্স দেবনগর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মামলার আসামী ব্রহ্মরাজপুরের নবাত আলীর পুত্র মোঃ শিমুল আহাম্মেদ (৩৪) কে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাতক্ষীরা সদর থানা মুহাঃ মাসুদুর রহমান, “সরকারি কাজে বাধা, অবৈধভাবে বালু-মাটি উত্তোলন এবং পুলিশ ক্যাম্পে হামলা করে আসামী ছিনতাইয়ের ঘটনায় কেউই ছাড় পাবে না। বাকি আসামীদেরও দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সরকারি স্বার্থ সুরক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

















