সাতক্ষীরা

ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপি নির্বাচনী মাঠে নেমেছে: ড. মনিরুজ্জামান

  এম কামরুজ্জামান শ্যামনগর ব্যুরো ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ , ৫:৩৫:৫৮ অনলাইন সংস্করণ

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) সংসদীয় আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ধানের শীষের প্রার্থী ড. মোঃ মনিরুজ্জামানের নির্বাচনী প্রচারণা উপলক্ষে শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির আয়োজনে এক বিশাল জনসভা ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা থেকে শ্যামনগর উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভা শেষে হাজার হাজার নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের অংশগ্রহণে ড. মোঃ মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি বিশাল গণমিছিল শ্যামনগর উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এর আগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এসে সমবেত হন। এ সময় ‘১২ তারিখ সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিন’, ‘মনিরুজ্জামান ভাই ভালো লোক, জয়ের মালা তারই হোক’, ‘শ্যামনগর উপজেলাবাসী বেঁধেছে জোট, তারা দেবে ধানের শীষে ভোট’সহ বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো শ্যামনগর সদর এলাকা।

শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ধানের শীষের প্রার্থী ড. মোঃ মনিরুজ্জামান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সোলাইমান কবির, আশেক এলাহি মুন্না, সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন খান শ্যামল, কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম খান, জেলা যুবদলের সাবেক সমন্বয়ক নাসিম ফারুক খান মিঠু, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন লিটনসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

জনসভায় বক্তব্যে ড. মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বিএনপি নির্বাচনী মাঠে রয়েছে। আমরা বিজয়ী হতে পারলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে, ইনশাল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক ঘরে ঘরে নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। শিক্ষিতদের জন্য চাকরির ব্যবস্থা এবং শিক্ষিত বেকারদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের প্রত্যাশা ও মতামত জানার সুযোগ সৃষ্টি করে অবহেলিত এই উপকূলীয় অঞ্চলের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরও খবর