ডেস্ক রিপোর্ট ১৪ আগস্ট ২০২৫ , ১১:৩৭:৫৪ অনলাইন সংস্করণ
উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, জোয়ারের বন্যা এবং অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে নিরাপদ পানীয় জলের প্রাপ্যতা নিত্যদিনের সংগ্রামে পরিণত হয়েছে—বিশেষ করে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মতো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য। এই সংকট মোকাবেলায় স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, সমস্যা নথিভুক্তকরণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাধানের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সকালে ডিপিএইচই, স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে এক এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা **সিডো** এবং **একশনএইড বাংলাদেশ** এর সহযোগিতায়, এফরটি প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ডিজিটাল কর্নারে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাস। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শোয়াইব আহমাদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শাহিনুল ইসলাম, উপজেলা সমবায় অফিসার মো. করিমুল হক এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী দীপংকর রায়।
সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা, ফিংড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলকাস আলী, স্বদেশের পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, জিডিএফ সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, টি আই বি সাতক্ষীরার এরিয়া কো-অর্ডিনেটর আল আমিনসহ বিভিন্ন যুব সংগঠনের প্রতিনিধি।
এফরটি প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. তহিদুজ্জামান (তহিদ)। এছাড়া বক্তব্য দেন প্রান্তিক যুব সংঘের সভাপতি হৃদয় মন্ডল, সদস্য ইমতি জামিল, কর্ণফুলী যুব সংঘের সাধারণ সম্পাদক শাহানাজ পারভীন, ইয়ূথ অ্যালায়েন্সের সদস্য কর্ণ বিশ্বাস কেডি, সাংবাদিক বিপ্লব হোসেন এবং সাতক্ষীরা সাইবার ক্রাইম এলার্ট টিমের পরিচালক শেখ মাহবুবুল হক।
এডভোকেসির মূল উদ্দেশ্য ছিল অনলাইন প্রচারণা ও সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপদ পানির সুবিধা নিশ্চিত করা, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমস্যাগুলো তুলে ধরা এবং ন্যায্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাধানের জন্য ডিপিএইচই, ওয়াসা ও স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রভাবিত করা।
সভাটি সঞ্চালনা করেন যুব সদস্য মাসুদ রানা। এসময় উপস্থিত ছিলেন একশনএইড বাংলাদেশের ইনস্পিরেটর সুইট খান, প্রোগ্রাম অফিসার চন্দ্র শেখর হালদার এবং ফাইন্যান্স অফিসার চন্দন কুমার বৈদ্য।

















