ডেস্ক রিপোর্ট ২৭ আগস্ট ২০২৫ , ৪:১৪:০১ অনলাইন সংস্করণ
জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি ও সমন্বিত সমাধানের পথ খুঁজে বের করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী “নেক্সাস ফেস্ট ২০২৫”। অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের উদ্যোগে এবং সিডো সংস্থার আয়োজনে বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।
উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত হাসান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক সঞ্জিত কুমার দাস, ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা, সদর উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা শাহিনুল ইসলাম, জেডিএফ সাতক্ষীরার সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি এবং সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাস। উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন সনাকের সাবেক সভাপতি হেনরি সরদার।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের সিনিয়র অফিসার আফসানা হেলাল, সিডোর প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. তহিদুজ্জামান (তহিদ) এবং সাতক্ষীরার বিভিন্ন ইয়ুথ গ্রুপের নেতৃবৃন্দ।
আয়োজকরা জানান, এ উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের তরুণ ও তৃণমূল জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বরকে স্থানীয় ও জাতীয় নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় প্রতিফলিত করা। একইসাথে ক্ষতিকর সামাজিক মানসিকতা ভেঙে ঐক্য, সহমর্মিতা ও সম্মান প্রতিষ্ঠা করা এবং উন্নয়ন সংস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও জনগণের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা।
উৎসবে ইন্টারেক্টিভ প্রদর্শনী, গবেষণা উপস্থাপনা, বিতর্ক ও নীতি সংলাপের পাশাপাশি তরুণদের উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরা হচ্ছে। স্থানীয় সংস্কৃতি ও সমস্যা ফুটিয়ে তুলতে থাকছে জারি গান, গম্ভীরা, যাত্রাপালা ও থিয়েটার। সামাজিক সংহতি বৃদ্ধির জন্য আয়োজন করা হয়েছে র্যালি, সৃজনশীল ক্যাম্পেইন ও নানা খেলাধুলা যেমন ফুটবল রেস, সাইকেল রেস এবং বাবা-মেয়ের খেলা।
উদ্বোধনী দিনে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পতাকা উত্তোলন শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা মেলায় স্থান পাওয়া ১১টি স্টল পরিদর্শন করেন।
আয়োজকরা আশা করছেন, “নেক্সাস ফেস্ট ২০২৫” জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও টেকসই সমাধানের পথ উন্মোচন করবে। অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের অ৪ঞ (রূপান্তরের জন্য পদক্ষেপ) প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে আয়োজিত এ উৎসব তরুণ নেতৃত্বকে এগিয়ে নিয়ে জলবায়ু সহনশীলতা, শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

















