সাতক্ষীরা

জলবায়ুর চ্যালেঞ্জে সাতক্ষীরায় কুল চাষে ১৬০ কোটি টাকার সম্ভাবনা

  আহসানুর রহমান রাজীব ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ , ৫:২৫:৩৭ অনলাইন সংস্করণ

সাতক্ষীরা দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় জেলা। এখানে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা কম হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বেশি। অতিবৃষ্টি, তীব্র গরম ও নদীর লবণাক্ত পানি অনেক অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। এই চ্যালেঞ্জের মাঝেও কুল চাষ নতুন সম্ভাবনা দেখাচ্ছে। কুল গাছ সল্পমাত্রার লবণ ও আর্দ্রতা সহ্য করতে পারে,দ্রুত ফলন দেয় এবং ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম। তাই কুল শুধু মৌসুমি ফল নয়, বরং উপকূলীয় এলাকার কৃষকদের আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠেছে।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর জেলাটিতে প্রায় ৮৪৬ হেক্টর জমিতে কুলের চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় ১৬০ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে বেড বা উঁচু ঢিবি পদ্ধতিতে কুলের চাষ এবং জমির আইলে সবজি ও ঘেরে মাছের এই ত্রিমুখী সমন্বয় কৃষকের ঝুঁকি কমিয়ে এনেছে। একেই বলা হয় প্রকৃত অভিযোজন। যখন একটি ফসল নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে, তখন অন্যটি কৃষকের আয়ের উৎস হয়ে দাঁড়ায়। এই মিশ্র চাষ পদ্ধতি কেবল মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা করছে না, বরং গ্রামীণ অর্থনীতিতে এনেছে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন। কুলের এই সাফল্য কেবল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতেই সীমাবদ্ধ নেই, এটি তৈরি করেছে সামাজিক সুরক্ষাও। বাগানের কাজ ও বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়ে এই অঞ্চলের অসংখ্য বেকার নারী স্বাবলম্বী হয়েছেন।
তবে এই বিপুল সম্ভাবনা সত্তে¡ও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে ও রাজধানী ঢাকায় কুলের ভালো দাম থাকলেও পচনশীল এই ফল সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে ভরা মৌসুমে অনেক সময় কৃষকেরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। এছাড়া সাতক্ষীরার এই সুস্বাদু ও উন্নত জাতের কুল বিদেশের বাজারে রপ্তানি করতে পারলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের এক বিশাল দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকার ও কৃষি মন্ত্রণালয় যদি সাতক্ষীরার এই কুল চাষিদের জন্য বিশেষায়িত হিমাগার নির্মাণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির জন্য বিশেষ সুযোগ তৈরি করে দেয়, তবে এটি কেবল দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের কৃষি নয়, পুরো দেশের রপ্তানি খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
চলতি মৌসুমে জেলার সাতটি উপজেলায় উৎপাদিত কুল বিক্রি থেকে ১৬০ কোটি টাকার বেশি লেনদেনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। ভালো ফলন ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাড়তে থাকা চাহিদায়, সাতক্ষীরা এখন কুলের বড় বাজারে পরিণত হচ্ছে।
সাতক্ষীরার তালা, কলারোয়া, সদর, দেবহাটা ও অন্যান্য উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের কুল। এর মধ্যে রয়েছে বিলাতি মিষ্টিকুল, থাই আপেলকুল, বল সুন্দরী, কাশমির আপেল, দেশি আপেল, নারিকেল, বোম্বাই ও টক জাতের কুল।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সল্প মাত্রার লবণযুক্ত জমিতেও কুলের উৎপাদন ভালো হয়। স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘদিন চাষ করছেন, তাই তারা অভিজ্ঞ এবং সঠিক চাষ পদ্ধতি জানেন। কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে চারা সরবরাহ, পরিচর্যা, সার প্রয়োগ ও রোগবালাই ব্যবস্থায় নিয়মিত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
কুল চাষিদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এক বিঘা জমিতে খরচ হয় ৩০-৫০ হাজার টাকা, আর ফলন ভালো হলে আয়ের পরিমাণ ৮০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকার মধ্যে। প্রতি কেজি কুল বর্তমানে ৭০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একই জমিতে অন্যান্য ফসল চাষের সুযোগ থাকায় অনেকে কুল চাষ করছেন।
তবে কুল চাষে সম্ভাবনার পাশাপাশি রয়েছে সংকট। জেলার স্থানীয় কোনো পাইকারি বাজার না থাকায় কৃষকরা বিক্রির জন্য সাতক্ষীরা বড় বাজার ও খুলনার আড়তের ওপর নির্ভর করছেন। এতে পরিবহন খরচ বাড়ছে এবং আড়তদার নির্ভরতায় কমছে ন্যায্য দাম। যদিও কিছু পাইকার সরাসরি বাগান থেকে কুল কিনে নেন, বাজারদরের স্বচ্ছতা না থাকায় অনেক কৃষক ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। চাষিরা দাবি করছেন, স্থানীয় পর্যায়ে আধুনিক পাইকারি কুল বাজার গড়ে তোলা হোক।
তালা উপজেলার মিঠাবাড়ি গ্রামের প্রবিণ কুল চাষি পাঞ্জাব আলী বলেন, গত ১৫ বছর ধরে আমি সাত বিঘা জমিতে কুল চাষ করছি। আপেলকুল, বল সুন্দরী, বিলাতি মিষ্টি, কাশমির আপেল, দেশি ও টক জাতের কুলের ফলন দিয়ে প্রতি মৌসুমে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার মতো আয় হয়। অন্যান্য ফসলের সঙ্গে তুলনা করলে কুল চাষ ঝুঁকি কম এবং লাভ বেশি। এখন বাজারও বাড়ছে, তাই পুরো এলাকায় অনেকেই কুল চাষে ঝুঁকছেন।
একই উপজেলার কুল চাষি মনিরুল ইসলাম বলেন, আমার ১১ বিঘা জমিতে আপেলকুল, দেশি আপেল ও বোম্বাই কুল চাষ করি। প্রতি বিঘায় খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। কুলের পাশাপাশি হলুদ ওলসহ অন্যান্য ফসলও চাষ করি। তবে সার ও কীটনাশকের দাম বেড়ে যাওয়ায় খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আয়ের ওপর প্রভাব ফেলেছে। তিনি বলেন, সংরক্ষণের সুযোগ না থাকায় গাছে কুল একবার পাকা শুরু হলে দ্রুত বাজারজাত করতে হয়। কিন্তু স্থানীয় পাইকারি বাজার না থাকায় কুল বিক্রি করতে হয় খুলনা বা সাতক্ষীরার বড় বাজারে। এতে যেমন সময় ব্যায় হয় তেমনি ফলের গুনগত মান নষ্ট হয়।
কলারোয়া উপজেলার উফাপুর গ্রামের কুল চাষি আব্দুস সাত্তার বলেন, বাগান থেকে অনেক পাইকার সরাসরি কুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এতে পরিবহন ঝামেলা কমেছে, কিন্তু বাজারদরের স্বচ্ছতা না থাকায় সঠিক দাম পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা চাই, স্থানীয় পর্যায়ে একটি আধুনিক পাইকারি কুল বাজার গড়ে তোলা হোক। একই সাথে সরকারি উদ্যোগে কুল সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করণের জন্য প্রয়োজনিয় উদ্যোগ নেয়া গেলে এটির চাষ ও দাম আরও বাড়বে।
একই উপজেলার সোনাবাড়িয়া এলাকার কুল চাষি আসাদুজ্জামান বলেন, আমরা বর্তমানে আপেলকুল, বল সুন্দরী, বিলাতি মিষ্টিকুল, কাশমির আপেল, দেশি আপেল, নারিকেল ও টক জাতের কুল চাষ করি। কুলের পাশাপাশি জমিতে হলুদ, শাকসবজি ও অন্যান্য ফসলও চাষ করি। বর্তমানে আগাম জাতের এসব কুলের বাজারে চাহিদা থাকায় ভালো দাম পাচ্ছি। কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের পরামর্শ এবং চারা সরবরাহ আমাদের কাজে অনেক সাহায্য করছে। তবে সার ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধির কারণে খরচ বেড়ে গেছে, এতে অন্যান্য সময়ের তুলনায় লাভ কিছুটা কম হয়েছে।
কুল চাষি শফিকুল ইসলাম বলেন, কুল গাছ থেকে সময়মত ফল সংগ্রহ না করলে ঝরে যায়। এছাড়া কুল দীর্ঘদিন সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় সেটি দ্রুত বিক্রি করতে হয়। বর্তমানে শহরের অনেক খুচরা বিক্রেতারা এখন বাগান থেকেই কুল কিনছেন। এতে আমরা সরাসরি পাইকারদের কাছে না গিয়ে বিক্রি করতে পারছি, কিন্তু সবসময় ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। বাজারের স্বচ্ছতা থাকলে আমাদের আয় আরও বাড়বে।
সাতক্ষীরা শহরের খুচরা ফল বিক্রেতা লাভলু ইসলাম বলেন, বর্তমানে কুলের চাহিদা খুব বেশি। আমি সরাসরি তালা ও কলারোয়ার বিভিন্ন কুল বাগান থেকে কুল এনে বিক্রি করছি। এতে আমার ভালো লাভ হচ্ছে। বাজার থেকে কুল নিলে আড়তদারের কমিশন ও খাঁজনা দিতে অনেক টাকা লাগে। বাগান থেকে কিনলে সেই খরচ হয় না।
তবে এসব বিষয়ে সুলতানপুর বড় বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলী বলেন, বড় বাজারের আড়তগুলোতে প্রতিদিন শত শত টন কুল কেনা-বিক্রি হচ্ছে। কুলের বাজার এখন খুলনা, বরিশাল ও অন্যান্য জেলার সঙ্গে যুক্ত। সেখানকার পাইকারি ব্যবসায়ীরা এখান থেকে সরাসরি কুল কিনে নেয়। আমরা সীমিত কমিশনে কেনা-বিক্রি করছি।
কৃষি বিভাগ বলছে, কুল চাষকে আরও টেকসই ও লাভজনক করতে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। উন্নত জাতের চারা সরবরাহ, পরিচর্যা পদ্ধতি এবং রোগবালাই ব্যবস্থায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
সাতক্ষীরা উপকূলীয় উপজেলা শ্যামনগর কৃষি বিভাগের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন মন্ডল বলেন, উপকূলীয় এলাকায় ছোট ছোট কিছু কুলের বাগান গড়ে উঠেছে। এছাড়া অনেকে ঘেরের আইলে ও বাড়ির উঠাকে কুল গাছ রোপণ করে। এখানকার লবণাক্ত এলাকাগুলোতে দেশি জাতের কুলের পাশাপাশি বাউ কুল, আপেল কুল, বল সুন্দরি ও নারকেলি জাতের কুল এলাকায় রোপণ করা যায়। তবে মাটির প্রকার ভেদে ফলন কম বেশি হয়। আমরা কৃষকদের পরামর্শ দেই ফসলি জমিতে একটু উচু করে ছোট ছোট মাটির ডিপি তৈরি করে তাতে কুলের চারা রোপণ করতে। এতে গাছের গোড়া পানি জমে না। এবং গাছ জলাবদ্ধতার মধ্যেও টিকে থাকে। একই সাথে ফল সংগ্রহের পর কুল গাছের নির্দিষ্ট অংশের ডাল কেটে ফেলতে হয়। এতে পরবর্তী বছরে নতুন ডালে ভালো ফলন হয়।
তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন বলেন, কুল চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কখন চারা রোপণ করতে হবে, কীভাবে গর্ত ও জমি প্রস্তুত করতে হবে, গাছের বয়স অনুযায়ী কতটুকু সার ও পানি প্রয়োজন। রোগ বা পোকামাকড় দেখা দিলে তা শনাক্ত করে দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস, ইউনিয়ন পর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে আধুনিক চাষপদ্ধতি, সঠিক সার ও কীটনাশকের মাত্রা নির্ধারণ, রোগবালাই শনাক্তকরণ এবং ফলন বৃদ্ধির কৌশল কৃষকদের হাতে কলমে শেখানো হয়। মাঠ দিবস ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চাষিরা এটি শেষার সুযোগ পাচ্ছেন। আগ্রহী যে কোনো চাষি চাইলে এই সেবা নিতে পারেন।
জাত নির্বাচন প্রসঙ্গে হাজিরা খাতুন বলেন, ভালো ফলনের জন্য উপযোগী জাত নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বড় আকারের, মিষ্টি স্বাদের, রোগ প্রতিরোধক্ষম এবং বেশি ফলনশীল জাত চাষের পরামর্শ দিচ্ছি। কৃষি বিভাগ স্থানীয় পরিবেশ উপযোগী জাত বাছাইয়ে সহায়তা করে। চাষিরা অনুমোদিত নার্সারি থেকে রোগমুক্ত চারা সংগ্রহ করে। প্রয়োজনে মাঠে গিয়ে মাটি পরীক্ষা করে জাত শনাক্ত করেও সহায়তা করা হয়।
সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরা জেলায় ৮৪৬ হেক্টর জমির কুল বাগান থেকে ১৮ থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন কুল উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে এর বাজার মূল্য ১৬০ কোটি টাকারও বেশি। স্থানীয় পাইকারি বাজার ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নত হলে চাষিরা আরও লাভবান হবেন। সাতক্ষীরার কিছু স্থানীয় কুলের গাছ লবণাক্ত ও আর্দ্র মাটিতেও চমৎকারভাবে বৃদ্ধি পায়। আমরা এমন কিছু জাতের চারাও সরবরাহ করি, যা উপকূলীয় জলবায়ুর প্রভাব সহ্য করতে সক্ষম। তিনি বলেন, কুল গাছ রোপণের জন্য উপযুক্ত সময় হলো মধ্য মাঘ থেকে মধ্য চৈত্র বা মধ্য শ্রাবণ থেকে মধ্য ভাদ্র মাস। জমি তৈরির সময় গর্ত করে তাতে জৈবসার ও সল্প পরিমানে রাসায়নিক সার (ইউরিয়া, টিএসপি, এমপি) মিশিয়ে চারা লাগাতে হয়। কুল চাষের জন্য দোআঁশ মাটি হলে ভালো হয়। কুল গাছ লবণাক্ততা ও জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে। তবে সঠিক জাত (যেমন বাউ কুল, বারি কুল) নির্বাচন করে চারা রোপণ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। বারি কুল-১ (নারিকেলী জাত) বাউ কুল ১, ২ জাতের কুল স্থান ভেদে চাষ করতে হয়। এজন্য স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে মাঠ ভিজিট করে পরামর্শ নেয়ার কথা বলছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। এছাড়া দেশের অন্য অঞ্চলেও কুলের চাষ করা সম্ভব। অনেক স্থানে চাষও হচ্ছে। তবে নতুন এলাকায় কুল চাষ করার আগে স্থানীয় কৃষি বিভাগের সাথে পরামর্শ করে করতে হবে। না হলে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

আরও খবর