আব্দুল মতিন ৮ জানুয়ারি ২০২৫ , ১১:৫৬:৫৪ অনলাইন সংস্করণ
স্বরূপে ফিরেছে পৌষ, কাঁপছে পাটকেলঘাটাবাসি পৌষের মাঝা মাঝিতে এসে ‘আসল রূপে’ আবির্ভূত হয়েছে শীতকাল, ফুটপাত বা পুরাতন কপড়ের দোকান গুলোতে বাড়ছে ভিড়।
নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই সারাদেশে জেকে বসেছে শীত। কনকনে হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশায় পাটকেলঘাটাসহ কাঁপছে গোটা জনপদ। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিন্ম আয়ের মানুষ। এছাড়া নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি বয়সী মানুষসহ শিশুরা।
ঘন কুয়াশার কারণে পাটকেলঘাটার বিভিন্ন স্থানে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে আছে চারপাশ। হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। পাটকেলঘাটার ৫ টি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায় কুয়াশার আবরণের সঙ্গে বইছে হিমেল হওয়া। হিমশীতল বাতাস আর ঘন কুয়াশার কারণে হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে। এতে বিপদে পড়েছেন ছিন্নমূল খেটে খাওয়া দিনমজুর ও নিন্ম আয়ের মানুষ। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন নিন্মবিত্ত, হতদরিদ্র ও অসহায় শ্রেণীর মানুষ। শীতের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় পাটকেলঘাটা শহরের ফুটপাত সহ হাটবাজারে বসা ফুটপাতের দোকানগুলোতে নিম্ন আয়ের মানুষদের ভিড় দেখা গেছে। তবে ফুটপাতের দোকানগুলোতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শীতের কাপড়। অনেকে টাকার অভাবে পরিবারের জন্য শীতের কাপড় কিনতে পারছেন না। অনেককে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেছে।
শীতের তীব্রতা বিশেষ করে শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। শীত ও কুয়াশার কারণে বাইরে বেরিয়ে কাজ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে তাদের জন্য। ঠান্ডা বাতাস এবং গরম কাপড়ের অভাবে মানুষ শীতে কষ্ট পাচ্ছে। দিনের বেলায়ও সূর্যের দেখা না মিললে শীতের তীব্রতা বাড়ছে। সন্ধ্যার পর থেকে ঘন কুয়াশায় রাস্তা ও লোকালয় ঢেকে যাচ্ছে, যা চলাচলে আরো সমস্যা তৈরি করছে।

















