মাহমুদুল ফিরোজ বাবুল, শ্যামনগর প্রতিনিধি ১২ জানুয়ারি ২০২৫ , ৩:৩৮:৩৮ অনলাইন সংস্করণ
“সকালে ঘুম ভাঙলো একজনের ফোনে। তিনি বললেন স্যার আমি কাশিমাড়ী থেকে বলছি। আমার কম্বল লাগবে। আমি গ্রাম ঘুরে খাই। সাথে সাথে ভাবলাম কাশিমাড়ী যাওয়া উচিৎ। গিয়েছিলাম রাতে ৫০ টি কম্বল দিতে পেরেছি শীতার্ত মানুষের হাতে।
আবার ভাবলাম গ্রাম ঘুরে খায় কিন্তু তার হাতে মোবাইল এবং তার কাছে ইউ এন ও র নম্বর ও আছে!!ভালো তথ্য প্রযুক্তিতে আমরা বেশ এগিয়ে গেছি।আবার ভাবলাম কাশিমাড়ির কেউ কি একজন ছিলনা যে তার শীত নিবারণে একটা কম্বল উপহার দিতে পারে?? আসুন আমরা যারা সামর্থ্যবান তারা এগিয়ে আসি একসাথে।”

শ্যামনগর উপজেলার ইউ এন ও মোছা: রনী খাতুন তার ফেসবুক পেজে শনিবার (১২ ই জানুয়ারী) দুপুরে এই পোস্টটি করেন।
এবিষয়ে মোছা: রনী খাতুন হৃদয় বার্তাকে বলেন, ১১ জানুয়ারী সকালে কাশিমাড়ী এলাকার একজন কম্বল চেয়ে ফোন করে। তাই শনিবার রাতে কাশিমাড়ীর শংকরকাটি জেলে পল্লীর রাস্তায় এবং বাড়িতে কম্বল বিতরন করি। তিনি সামর্থবানদের প্রতি আহবান জানান তারা যেন শীতার্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান।
এদিকে এমন মানবিক কাজের জন্য ফেসবুক পোস্টের কমেন্ট বক্স জুড়ে প্রশংসার বন্যা বয়ে যেতে দেখা যার। তিনি ইতি পূর্বে শ্যামনগরে এসেই আদী যমুনা খাল পরিষ্কারের উদ্দ্যোগ নেন। ১৫ই ডিসেম্বর রাতে মানুষকে সচেতন করতে নিজে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নেতৃত্ব দেন।
ইউএনও মোছা: রনী খাতুন দিনকে দিন তার ভাল কাজের জন্য মানুষের মন জয় করে নিচ্ছেন পাশাপাশি তিনি মানুষের প্রত্যাশা ও বাড়িয়ে চলেছেন এমনটাই বলছেন সাধারন মানুষ।

















