ডেস্ক রিপোর্ট ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ , ৪:২৬:১৭ অনলাইন সংস্করণ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘ ১৭ বছর পর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে দেশজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। এরই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের নেতাকর্মীরা।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের উদ্যোগে জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে থেকে এ যাত্রা শুরু হয়। সংগঠনের আহ্বায়ক এ্যাডভোকেট মোঃ আকবর আলী ও সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট নুরুল আমিনের নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এ্যাড. শেখ আব্দুস সাত্তার, এ্যাড. অসীম কুমার মন্ডল, এ্যাড. আলমগীর আরশাফ, এ্যাড. আবু সাঈদ রাজা, এ্যাড. মো. আলতাফ হোসেন, এ্যাড. শাহরিয়ার হাসীব, এ্যাড. এস এম সোহরাব হোসনে বাবলু, এ্যাড. আশাফউদদৌলা সাগর, এ্যাড. সুনীল কুমার, এ্যাড. নজরুল ইসলাম, এ্যাড. তারিক ইকবাল অপু, এ্যাড. জি এম ফিরোজ আহমদ, এ্যাড. মিজানুর রহমান বাপ্পি, এ্যাড. ওয়ালিউল্লাহ, এ্যাড. জি এম মিজানুর রহমান বাবলু, এ্যাড. এবাদুল হক, এ্যাড. সালাউদ্দিন আহমেদ, এ্যাড. রফিকুল ইসলাম খোকনসহ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।
ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের আহ্বায়ক এ্যাডভোকেট মোঃ আকবর আলী বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নানা নির্যাতন, মামলা ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে প্রবাসে থাকতে হয়েছে আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানকে। তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুধু একটি ব্যক্তির দেশে ফেরা নয়, এটি গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আজ দেশবাসী নতুন আশায় বুক বাঁধছে।”
তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আগামীর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে এবং তাঁকে সরাসরি শুভেচ্ছা জানাতে আমরা সাতক্ষীরার আইনজীবীরা ঢাকায় যাচ্ছি।”
এ সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সাতক্ষীরাসহ সারা দেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। এই প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা বহন করছে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

















