এম কামরুজ্জামান, শ্যামনগর ব্যুরো ২৮ মে ২০২৫ , ৩:৫০:৪৫ অনলাইন সংস্করণ
সাতক্ষীরা নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল আদালতের মামলা তুলে নেওয়া সহ জীবন নাশের হুমকি দেওযার ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় সংবাদ সম্মেলন করেন কাচড়া হাটি নন্দী গ্রামের আমিরুল ইসলামের স্ত্রী রেহেনা পারভীন। গত ২৮ মে (বুধবার) সকাল ১১টায় লিখিত বক্তব্যে রেহেনা পারভিন জানান, উপজেলার বংশীপুর গ্যামের আঃ সামাদ ঢালীর ছেলে আব্দুল্লাহ আল বাকি সজল (২৮) একজন মাদক সেবনকারী,নারী লোভী, দুশ্চরিত্র প্রকৃতি ব্যক্তি হইতেছে।
আনুমানিক দুই বছর পূর্বে সজল তার কন্যা আশা ইসলাম মায়া (১৬)কে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ফুসলিয়ে নিয়ে আপত্তিকর ছবি উঠায়। উক্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আমার কন্যার সাথে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। এ ঘটনায় আমার স্বামী সাতক্ষীরা নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল আদালতে ৫৬/২৫ নং মামলা করে। মামলাটি বর্তমান চলমান রয়েছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আব্দুল্লাহ আল বাকি সজল ও তার পিতা আঃ সামাদ ঢালী মামলা তুলে নেওয়া সহ জীবন নাশের হুমকিতে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
এ ঘটনায গত ২৫ মে শ্যামনগর থানায় অভিযোগ করিলে ঐদিন সন্ধ্যায় দারোগা মিজান উভয় পক্ষকে থানায ডাকে। দারোগার উপস্থিতিতে তারা আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ হুমকি দেয়। দারোগা কোন প্রতিবাদ না করে তাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে উল্টো আমাদের অপমানিত করে তাড়িয়ে দেয়। অপমান সহ্য করতে না পেরে রেহানা ও তার কন্যা বাড়িতে যেয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করে। এলাকাবাসী জানতে পেরে তাদের মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচায়। এদিকে সজল ও তার পিতার জীবন নাশের হুমকিতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো জানান, তাদের অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে এর দায়ভার সজল ও তার পরিবার দায়ি থাকবে। পরিশেষে সাংবাদিকদের লিখনীর মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

















