এম কামরুজ্জামান, শ্যামনগর ব্যুরো ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ৪:৩০:২০ অনলাইন সংস্করণ
সৌদি আরবে কর্মসংস্থানের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশনে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে শ্যামনগরে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) শ্যামনগর প্রেসক্লাব হল রুমে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের খাগড়াঘাট গ্রামের মোঃ সালাউদ্দীন।
তিনি বলেন, তার ছোট ভাই মোঃ আব্দুল আলিম দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে অবস্থান করছেন। এলাকার কয়েকজন যুবক আলিমের মাধ্যমে সৌদিতে কাজের আগ্রহ প্রকাশ করলে তারা বৈধ ভিসা ও আকামা নিয়ে ‘হ্যাঙ্গার স্টোশন’ নামের কোম্পানিতে ফুড ডেলিভারি বাইকার হিসেবে যোগদান করেন। এর মধ্যে শ্রীফলকাটির মো. শফিকুল ইসলাম, খাগড়াঘাটের মেজবাহ উদ্দীন ও মো. মেহেদী হাসান, পাতড়াখোলার মো. জাহাঙ্গীর কবীর, বংশীপুরের মো. ইমরান সরদার এবং খাগড়াঘাটের মো. আশরাফ উদ্দীন রয়েছেন।
সালাউদ্দীন অভিযোগ করেন, কয়েকজন যুবক কোম্পানির চুক্তি অনুযায়ী কাজ না করে নিজের ইচ্ছায় অন্যত্র চাকরি নেন। মেজবাহ উদ্দীন কম বেতনের অজুহাতে চাকরি ছেড়ে দেন। জাহাঙ্গীর কবীরও ১০-১২ দিন কাজের পর অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যান এবং তার ভাইয়ের কাছ থেকে ধার নেওয়া ৩০০ রিয়াল ফেরত দেননি। আশরাফ উদ্দীনও কোম্পানি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। শুধু তার ভাই মেহেদী হাসান এখনও কোম্পানিতে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছেন।
জাহাঙ্গীর কবীর ও বংশীপুরের ইমরান হোসেনের চাচা আজিজুল ইসলাম বলেন, “আমার দুই ভাইপো আলিমের মাধ্যমে সৌদিতে যায়। তারা ভিসা নিয়ে ফুড ডেলিভারির জন্য গিয়েছিল, কিন্তু বেশি বেতনের কারণে অন্য কাজে চলে গেছে। আমার জানা মতে, আলিমের কোনো দোষ নেই।”
সালাউদ্দীন আরও বলেন, যারা চুক্তি অনুযায়ী কাজ করেননি, তারাই এখন বিদেশ যাওয়ার খরচ উঠানোর জন্য মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। সামাজিক মাধ্যমে এবং জাতীয় টেলিভিশনে বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়ে তাঁরা সালাউদ্দীন ও তার ভাইকে আদম ব্যবসায়ী আখ্যায়িত করছেন। তিনি এ ধরনের মিথ্যা প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সাংবাদিক ও গ্রাম্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

















