মুহাম্মদ হাফিজ ৯ জুলাই ২০২৫ , ৪:৫৩:৩৫ অনলাইন সংস্করণ
সাতক্ষীরায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামূলক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাদ্যের মান বজায় রাখা ও জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এই আয়োজনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন অংশগ্রহণকারীরা।
বুধবার (৯ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের “নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ” প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য ও যুগ্মসচিব আ ন ম নাজিম উদ্দিন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সাতক্ষীরা জেলার নিরাপদ খাদ্য অফিসার দীপংকর দত্ত।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ও সিভিল সার্জন ডা. মোঃ সালাম।
এছাড়া কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আবুল হাশেম, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম টুটুল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি সাতক্ষীরা জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ, সাবেক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আরাফাত হোসেন ও মুখপাত্র মোহিনী তাবাসসুম, শহর জামায়াতের নায়েবে আমির ও সাবেক কাউন্সিলর লাভলু প্রমুখ।
এ সময় কর্মশালায় হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিক, খাদ্য ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিগণ, বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যম কর্মী, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক, সমাজকর্মী ও সরকারি কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুগ্মসচিব আ ন ম নাজিম উদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে। খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও পরিবেশনের প্রতিটি ধাপে সংশ্লিষ্টদের সচেতন করা ও প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। আপনারা যারা খাদ্য ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের সচেতন, আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হতে হবে। জনগণ যেন নিরাপদ ও মানসম্মত খাবার পায়, সে বিষয়ে সবাইকে গুরুত্ব দিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “সরকার সারাদেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। কর্মশালা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।”
কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, উৎপাদক ও পরিবেশকদের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো, খাদ্যে ভেজাল রোধে সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা এবং সংশ্লিষ্টদের আইন ও নীতিমালা সম্পর্কে অবগত করা।
অংশগ্রহণকারীরা কর্মশালাটিকে সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন।

















